1. db71pratidin@gmail.com : Ataur Rahman : Ataur Rahman
  2. krakenx77@proton.me : wpa wpa : wpa wpa
  3. delowarhossain7122@gmail.com : Delowar Hossain : Delowar Hossain
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মিতা-মুকুল হোমিও হলের প্রতিষ্ঠাতা ডা. আতাউর রহমান মুকুলের ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ঈদের আনন্দে মানবতার ছোঁয়া—বামনডাঙ্গায় ৪০ পরিবারের মুখে হাসি ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন জামায়াত মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক মিয়া সুন্দরগঞ্জে ফ্রেন্ডস এসোসিয়েশনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ মনোয়ারা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সুন্দরগঞ্জে মামলার বাদীকে হত্যার হুমকি মিথ্যা, পাল্টা সংবাদ সম্মেলন সুন্দরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে মামলার বাদীকে হত্যার হুমকি মনিরামপুরে রানা প্রতাপ হত্যা মামলায় শুটার হৃদয়সহ দুইজন আটক, অস্ত্র-গুলি উদ্ধার সুন্দরগঞ্জ হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে এমপি মাজেদুর রহমান রংপুর ৩, ৪ ও ৬ আসনের পরাজিত বিএনপির প্রার্থীরা নেতাকর্মীদের নিয়ে ডিসি অফিস ঘেরাও ভোট গননার দাবিতে

নীতি হারালে নেতা হয় নিস্তেজ, জাতি হয় নিঃস্ব

লেখক - ডা.মোঃ আতাউর রহমান মুকুল
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৪৬ Time View

লেখক –
ডা.মোঃ আতাউর রহমান মুকুল

মানবসভ্যতার ইতিহাসে নেতৃত্ব সবসময়ই ছিলো জাতির দিকনির্দেশনার কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু প্রশ্ন একটাই — নেতৃত্বের মূল শক্তি কোথায়? পদে, ক্ষমতায়, না নীতিতে? ইসলামের দৃষ্টিতে নেতৃত্বের ভিত্তি হলো ন্যায়, সততা ও তাকওয়া। নীতি হারালে নেতৃত্বের কোনো মূল্য থাকে না; বরং তা জাতির জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়ায়।
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন—
“নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দেন, যেন তোমরা আমানত তার হকদারের নিকট পৌঁছে দাও এবং মানুষদের মধ্যে বিচার করো ন্যায়ের সঙ্গে।”
(সূরা আন-নিসা, ৪:৫৮)
এ আয়াতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, নেতৃত্ব এক ধরনের আমানত। যে নেতা এই আমানত রক্ষা করবে না, সে আল্লাহর কাছে দায়ী হবে। নীতি-নৈতিকতা, সত্যবাদিতা ও দায়িত্ববোধ ছাড়া নেতৃত্ব কেবল ক্ষমতার প্রতিযোগিতা— যা সমাজে অন্যায়, দুর্নীতি ও অবিচারের জন্ম দেয়।

নবী করিম (সা.) বলেন— “তোমাদের প্রত্যেকেই এক একজন রাখাল, এবং প্রত্যেকে তার অধীনদের ব্যাপারে দায়িত্বশীল।”
(সহিহ বুখারি ও মুসলিম)
অর্থাৎ নেতৃত্ব কোনো সম্মানের আসন নয়; এটি একটি জবাবদিহিতার পদ। যখন নেতা তার নীতি হারায়, তখন সে নিজের দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত হয়। তার নেতৃত্ব হয় নিস্তেজ, আর জাতি হয়ে পড়ে নিঃস্ব। কারণ, নীতিহীন নেতৃত্ব জনগণকে অন্ধকারে ঠেলে দেয়, সমাজে জন্ম দেয় অন্যায়, ঘুষ, স্বজনপ্রীতি ও অবিচারের সংস্কৃতি।
ইসলাম নেতৃত্বে যোগ্যতা, জ্ঞান, ন্যায়বোধ ও তাকওয়াকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে। হযরত উমর (রা.)-এর শাসনামলে তিনি রাতে ছদ্মবেশে বের হয়ে জনগণের খোঁজ নিতেন। কারণ তিনি জানতেন— “যদি একটি কুকুরও ফোরাত নদীর তীরে অনাহারে মারা যায়, উমর তার জবাবদিহি করবে।”
এই নৈতিক জবাবদিহিই ইসলামিক নেতৃত্বের মর্ম।
আজ যখন অনেক নেতা ক্ষমতার মোহে নীতি বিসর্জন দেন, তখন জাতি দিশেহারা হয়ে পড়ে। ইসলামের আলোকে একমাত্র নৈতিক নেতৃত্বই পারে জাতিকে আলোকিত পথে ফেরাতে। কারণ নীতি হলো নেতৃত্বের প্রাণশক্তি— সেটি হারালে নেতা হয় নিস্তেজ, আর জাতি হয় নিঃস্ব।
উপসংহার:
ইসলামী সমাজে প্রকৃত নেতৃত্ব হলো ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা ও জনগণের সেবার প্রতিশ্রুতি। তাই আজ আমাদের প্রয়োজন নীতিনিষ্ঠ নেতা, ক্ষমতালিপ্সু নয়। যেদিন নেতা নীতিকে বড় ভাববে, সেদিনই জাতি ফিরে পাবে তার হারানো মর্যাদা ও আলোর পথ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

About Us

Felis consequat magnis est fames sagittis ultrices placerat sodales porttitor quisque.

Get a Quote

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক বাংলা ৭১ প্রতিদিন।

Theme Customized BY LatestNews